দৈনিক সান্তাহার

আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে পাম্পে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ বেকায়দায় যানবাহন চালকরা

সান্তাহার ডেস্ক :: ১৫ দফা দাবিতে তিন বিভাগে জ্বালানি তেল উত্তোলন,পরিবহন ও বিপণন বন্ধ রয়েছে। ফলে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে ফিলিং স্টেশনগুলো থেকে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ রয়েছে। আর এ কারণে পেট্রোল ও ডিজেল চালিত যানবাহনের চালকরা পড়েছেন মহাবিপাকে। গতকাল রোববার সকাল ৬ টা থেকে পূর্ব ঘোষিত এই ধর্মঘট শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ও ট্যাংকলরি মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ গত ২৬ নভেম্বর (মঙ্গলবার) এই ধর্মঘট আহবান করেন।

জ্বালানি তেল বিক্রয়ের প্রচলিত কমিশন শতকরা সাড়ে ৭ ভাগ, জ্বালানি তেল ব্যবসায়ীরা কমিশন এজেন্ট নাকি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান তা সুনির্দিষ্ট করা, প্রিমিয়াম পরিশোধ সাপেক্ষে ট্যাং কলরি শ্রমিকদের ৫ লাখ টাকা দুর্ঘটনা বীমা প্রথা প্রণয়ন করা, ট্যাং কলরির ভাড়া বৃদ্ধিসহ ১৫দফা দাবিতে এই ধর্মঘট আহবান করা হয়।ধর্মঘটের কারণে পেট্রোল ও ডিজেল চালিতযানবাহনগুলো জ্বালানি না পেয়ে পেট্রোল পাম্প থেকে ফিরে যাচ্ছে। যে সকল যানবাহন শনিবার রাতে জ্বালানি সংগ্রহ করেছিলেন তারাই চলাচল করতে পারছে। জ্বালানি তেল না পাওয়ার কারণে অনেক যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

সান্তাহারে পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে আসা এক ক্রেতা আল-আমিন হোসেন জানান, ধর্মঘটের খবর ফলাওভাবে প্রচার করা হয়নি। ফলে হঠাৎ করেই চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তারা। এমন অবস্থায় খোলা বাজারেও পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল মিলছে না। এর ফলে জ্বালানি তেল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন তার মত অনেকেই। আরেক ক্রেতা ফজলুল হকের অভিযোগ, খোলাবাজারে পেট্রোল মিললেও তা আবার সর্বনিন্ম প্রতি লিটার ১২০ টাকা দরে কিনতে হচ্ছে। ফলে প্রায় দের লিটার পেট্রোলের দামে কিনতে হচ্ছে এক লিটার।

পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন রাজশাহী বিভাগীয় সভাপতি মিজানুর রহমান রতন সাংবাদিকদের জানান, বিগত দিনে সরকারের দেয়া প্রতিশ্রুতি আজও বাস্তবায়ন হয়নি। এ কারণে ১৫ দফা দাবি জানানো হয়। ৩০ নভেম্বরের মধ্যে এসব দাবি পূরণের আল্টিমেটাম দেয়া হয়। কিন্তু দাবি দফা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার আলোচনা না করায় ধর্মঘট শুরু হয়েছে।

সান্তাহার ডটকম/ ০২ ডিসেম্বর ২০১৯/এমএম