দৈনিক সান্তাহার

সান্তাহারে চোখ নিয়ে দুর্ভোগে পথচারীরা

Santahar chai

সান্তাহার ডেস্ক:: সান্তাহার শহরে এবার সড়ক ও জনপথের দুই পাশের মূল্যবান ভূমি জবর দখলে ভূমিদস্যুরা ব্যবহার করছে চালকলের ছাই। সড়ক পাশের ভূমি দখলে নিতে ভূমিদস্যুরা প্রথমে ছাই ফেলে রাখে। এরপর আস্তে আস্তে শুরু করে মাটি ফেলার কাজ। সড়কের দুই পাশে ফেলে রাখা ছাই চোখে পড়ে নিত্যদিন ক্ষনে ক্ষনে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে খোলা যানবাহন ও পায়ে হাঁটা হাজারো পথচারীদের। ছাই পড়ে চোখের মনিতে বসে গিয়ে অনেকে হারাতে বসেছেন চোখের আলো।
জানা গেছে, সান্তাহার-বগুড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের শহীদ সুজিত রেলগেটের পশ্চিম ও পূর্বপাশে, আদমদীঘির ইন্দইল সড়ক ব্রিজের পশ্চিমে এবং সান্তাহার-নওগাঁ বাইপাস (রাজশাহী-বগুড়া আঞ্চলিক মহাসড়ক) সড়কে, সান্তাহার পৌর এলাকার বশিপুর পয়েন্টে সওজের জায়গা দখলের জন্য সড়কের উপর থেকে স্তুপাকারে ফেলে রাখা হয়েছে চালকলের ছাই। এসব সড়কে চলাচলকারী খোলা যানবাহন (মোটর সাইকেল ও বাইসাইকেল) এবং পথচারিরা ছাইয়ের অত্যাচারে অতিষ্ট হলেও তা প্রতিকারে এগিয়ে আসছে না কোন কর্তৃপক্ষ। সামান্য বাতাসেই ছাই এসে হানা দিচ্ছে পথচারিদের উপর। ছাই পড়ে শরীর ও জামা-কাপড় ময়লা হওয়ার বিষয়টি অতি ক্ষুদ্র বিষয় হলেও চোখের বিষয়টি অত্যন্ত মারাত্মক আকার ধারণ করছে। কিন্তু যথাযথ কর্তৃপক্ষ নির্বিকার।
এ ব্যাপারে কেউ কেউ রসিকতা করে বলেন, জনগুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়টি যারা সমাধান করতে পারেন, তাদের চোখে এই ছাই না পড়া পর্যন্ত এর কোন সমাধান হবে না।
এদিকে বগুড়াস্থ সওজের এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তাদের সহায়তায়, সান্তাহার শহরের খাড়িরপুল এলাকা থেকে আদমদীঘির ইন্দইল ব্রিজ, বাঁশহাট এলাকার জহুরা ইন্ডাস্ট্রিজ থেকে পূর্ব ঢাকা রোড (পশ্চিম সিংড়া) পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে এভাবে প্রথমে ছাই তারপর মাটি দিয়ে শতাধিক ভূমিদস্যু সড়ক ও জনপথের কোটি কোটি টাকা মূল্যের জমি দখল করে মিল-কলকারখানা, মার্কেটসহ নানা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে। এর ফলে, সরকার ও সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হলেও দেখে শুনে মনে হয় যেন এসব দেখার নেই কেউ। সওজ বিভাগ গত কয়েক বছর ধরে এসব অবৈধ দখলদারদের শুধু উচ্ছেদ নোটিশ প্রদান এবং জেলা প্রশাসন থেকে ম্যাজিস্ট্রেট না পাওয়ার অজুহাত দিয়ে আসছেন। পাশাপাশি ওই সব অবৈধ দখলদারদের দখল আরো মজবুত করতে সহায়তা করে চলেছেন বলে মনে করেন ক্ষতিগ্রস্থ সাধারণ মানুষ।
সান্তাহার ডটকম/ইএন/১৪ আগস্ট ২০১৬ইং

About the author

Santahar Team

2 Comments

Click here to post a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *